You are currently viewing কেন IT Nut Hosting এর প্রাইজ বেশি?

বর্তমান সময়ে ওয়েবসাইটের গুরুত্ব কতটুকু তা বলার অপেক্ষা রাখেনা, আর এই ওয়েবসাইটের লাইফ লাইন হচ্ছে হোস্টিং। তাই হোস্টিং বাছাই করার সময় যদি ভেবে চিন্তে কাজ না করেন, তাহলে আপনার ব্যবসা এবং ওয়েবসাইট উভয়ের খারাপ অবস্থা  হতে পারে। কিন্তু কথা হচ্ছে কিভাবে হোস্টিং বাছাই করবেন? কোন কোম্পানি থেকে হোস্টিং নিবেন?

যেহুতু মার্কেটে এখন অসংখ্য কোম্পানী রয়েছে তাই একজন সাধারণ মানুষের জন্য প্রথম অবস্থায় হোস্টিং বাছাই করার একটু কষ্টকর। তবে সমস্যা নেই, আমরা আমাদের পরবর্তী পোস্টগুলোতে হোস্টিং সম্পর্কে স্টেপ বাই স্টেপ আলোচনা করবো, এতে করে একজন সাধারণ ইউজার খুব সহজেই তাঁর বাজেটের মধ্যে  বেস্ট হোস্টিং সার্ভিস বাছাই করতে পারবে।

কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, যারা ডোমেইন হোস্টিং সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা রাখে না তাঁরা শুধু মাত্র হাতে গোণা কয়েকটা ফিচারস দিয়ে এক কোম্পানীর সাথে আরেক কোম্পানীর প্যাকেজের কম্পেয়ার করে থাকে। সঠিক ভাবে কম্পেয়ার করার জন্য কয়েকটা ফিচারস ই কিন্তু যথেষ্ট নয় এবং শুধু মাত্র ফিচারস দিয়েই কম্পেয়ার করলে হয়না, আফটার সেল সার্ভিস বলেও একটা কথা আছে, সেটা কোন কোম্পানী কেমন দিচ্ছে এটাও লক্ষ্য রাখতে হবে এবং একই সাথে মার্কেটে ওই কোম্পানী কত দিন যাবত সার্ভিস দিচ্ছে এবং তাঁদের ইউজার রিভিউ কেমন এইসব বিষয় ও বিবেচণা করে কম্পেয়ার করতে হয়। 

বাংলাদেশের জনপ্রিয় হোস্টিং কোম্পানীগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে আইটি নাট হোস্টিং। আইটি নাট হোস্টিং ২০১৪ সন থেকে দীর্ঘ ৭ বছর যাবত দেশ এবং দেশের বাইরে ডোমেইন হোস্টিং সার্ভিস দিয়ে আসছে। দেশীয় হোস্টিং কোম্পানীগুলো সম্পর্কে যারা একটু খোঁজ খবর রাখেন তাঁরা প্রায় সবাই কম বেশি IT Nut Hosting সম্পর্কে জানেন। 

যখন বাংলাদেশের  অধিকাংশ কোম্পানীই একই পথ অনুসরণ করে যাচ্ছে, তাঁদের উদ্দেশ্য একটাই প্রায়, কম দামে সার্ভিস =  বেশি বেশি ক্লায়েন্ট। তখন IT Nut Hosting তাঁদের যাত্রার প্রথম থেকেই ভিন্ন পথ অনুসরণ করে আগাচ্ছে, IT Nut Hosting বিশ্বাস করে কোয়ালিটি সার্ভিস = এফোরডেবল প্রাইজ এবং কোয়ালিটি কাস্টোমার। আইটি নাট হোস্টিং সম্পর্কে কম বেশি সবাই জানলেও অনেকরই ভ্রান্ত ধারণা আইটি নাট হোস্টিং এর প্রাইজ বেশি, তাই আজকে আমরা আলোচনা করবো কেন আইটি নাট হোস্টিং এর প্রাইজ বেশি?

প্রথমে সবার ভুল ধারণা ভাঙ্গানো উচিত যে, আইটি নাট হোস্টিং এর প্রাইজ কখনোই বেশি না, বরং IT Nut Hosting এর প্রাইজ সব সময় এফোরডেবল । আইটি নাট হোস্টিং এর প্রাইজ বেশি, এটা বলার অন্যতম কারণ বাংলাদেশের কিছু কোম্পানী খুবই সল্প মূল্যে ডোমেইন হোস্টিং সেবা দিচ্ছে, হ্যাঁ এই দিক থেকে কিছুটা ঠিক যে বাংলাদেশের কোম্পানীগুলোর থেকে আইটি নাট হোস্টিং এর প্রাইজ বেশি তবে সব ক্ষেত্রে না।

আইটি নাট হোস্টিং এর প্রাইজ বেশি হবার কারণ

সার্ভার কস্ট: ছোট বড় প্রায় অনেক কোম্পানী আছে যারা অন্য কোম্পানী থেকে রিসেলার নিয়ে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু আইটি নাট হোস্টিং কোন রিসেলার না, IT Nut Hosting বিশ্বের জনপ্রিয় সব ডাটা সেন্টার থেকে সার্ভার ক্রয় করে নিজস্ব টিম দ্বারা সার্ভার পরিচালনা করে থাকে এবং একই সাথে আইটি নাট হোস্টিং নিজেই রি-সেলার সার্ভিস প্রদান করে থাকে। বাংলাদেশের জনপ্রিয় অনেক নাম করা হোস্টিং কোম্পানী আছে যারা আইটি হোস্টিং থেকে রি-সেলার নিয়ে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

কম দামে সার্ভিস সেল করা কিছু প্রোভাইডার আছে, যারা খারাপ মানের ডাটা সেন্টার থেকে সার্ভার ক্রয় করে সার্ভিস প্রোভাইড করে থাকে। কিন্তু আইটি নাট হোস্টিং বিশ্বের সব থেকে ভালো মানের ডাটা সেন্টার থেকে সার্ভার ক্রয় করে সার্ভিস প্রোভাইড করে আসছে।

যেহুতু আইটি নাট হোস্টিং কোন কোম্পানী থেকে রি-সেলার নিয়ে ব্যবসা করছে না এবং উন্নত মানের ডাটা সেন্টার থেকে সার্ভার ক্রয় করে থাকে, তাই চাইলেও এখানে অন্য সব কোম্পানীর মতো কম দামে সার্ভিস প্রোভাইড করতে পারেনা।

লাইসেন্স: আপনি যদি একটু রিসার্স করেন, দেখতে পারবেন বাংলাদেশের হাতে গোণা কিছু কোম্পানী বাদে অধিকাংশ কোম্পানিই ক্রাক লাইসেন্স, নাল থীম, প্লাগিন ইত্যাদি ব্যবহার করে থাকে। এইসব ব্যবহার করে তাঁরা নিজের বিজনেসসহ ইউজারের বিজনেস কেও ঝুকিতে ফেলে দিচ্ছে। পেইড লাইসেন্সের বদলে ক্রাক লাইসেন্স ব্যবহার করলে সার্ভিস অনেক সল্প মূল্যে বিক্রি করলেও লস থাকেনা।

কেননা প্রোভাইডারদের প্রতিমাসে বা বছরে লাইসেন্সের পিছে অনেক টাকা ব্যায় করতে হয়, যেহুতু তাঁরা ক্রাক লাইসেন্স ব্যবহার করছে তাই এখানে হিউজ পরিমাণ কস্ট বেঁচে যাচ্ছে এই কারণে ইউজারদের সার্ভিস ঝুকি থাকা সত্বেও কম দামে সার্ভিস সেল করে যাচ্ছে। 

এইদিক থেকে আইটি নাট হোস্টিং চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলতে পারবে তাঁরা কোন ক্রাক লাইসেন্স, নাল থীম প্লাগিন ব্যবহার করে না। যেহুতু লাইসেন্সের পিছে মাসে ভালো পরিমাণ টাকা ব্যায় করতে হয় তাই অনান্য ক্রাক লাইসেন্সধারী কোম্পানীর মতো আইটি নাট হোস্টিং কম দামে সার্ভিস প্রোভাইড করতে পারেনা।

২৪/৭ সাপোর্ট:  ২৪/৭ সাপোর্ট অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়, তবে এটা গুরুত্বপূর্ণ হলেও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কার্যকর করাটা অকে কষ্টসাধ্য ব্যপার। আমাদের দেশে ইলেকট্রিসিটি এবং ইন্টারনেট সমস্যা প্রতিনিয়ত লেগেই আছে, এর মধ্যে ২৪/৭ কাস্টোমার সাপোর্ট এনশিউর করাটা কষ্টসাধ্য হয়ে যায়। 

দেশীয় অধিকাংশ প্রোভাইডার ২৪/৭ সাপোর্টের ব্যবস্থা করতে পারেনা। প্রথমত বাংলাদেশের মতো জায়গাতে ২৪/৭ সাপোর্ট দেয়াটা মুশকিল এবং দ্বিতীয়ত কম দামে ক্রক লাইসেন্স ব্যবহার করে তো সহজেই সার্ভিস বিক্রি করে ফেলা যায়, কিন্তু যখন ২৪/৭ সাপোর্টের ব্যবস্থা করতে যায় তখন হিমশিম খেয়ে যায়। কেননা ২৪/৭ সাপোর্ট চালু রাখলে অন্তত ৩ শিফর্টে ২ জন করে মোট ৬ জন সাপোর্ট এজেন্ট রাখতে হবে এবং তাঁদের ছুটির দিন গুলোর সময় বাড়তি হিসেবে আরো ২-৩ জন সাপোর্ট এজেন্ট চাকরীতে রাখতে হয়। কম দামে সার্ভিস সেল করে এত মানুষের বেতন দেওয়া কখনোই সম্ভব নয়, তাই অনান্য হোস্টিং প্রোভাইডাররা চাইলেও ২৪/৭ সাপোর্ট অপশন রাখতে পারেন না।

আবার বাংলাদেশের প্রথম সারির বেশ কিছু বড় প্রোভাইডার আছে যারা ২৪/৭ সাপোর্ট বলে প্রচার করলেও আসলে তার ব্যবস্থা নেই। কিছু কোম্পানী আছে সকাল ১০ টা থেকে রাত ৭-৯ টা পর্যন্ত সাপোর্ট খোলা রাখে আবার অনেকে আছে ওয়ান ম্যান আর্মি, সে নিজেই কোম্পানীর সিইও আবার নিজেই বাকি অন্যসব পদে যার কারণে সে যতক্ষণ জেগে থাকে ততক্ষণ সাপোর্ট খোলা থাকে।  বাংলাদেশের একটি বড় কোম্পানী আছে যারা রাত ২ টার পর অন্য দেশ থেকে ভাড়া করা সাপোর্ট এজেন্ট দিয়ে কাজ চালিয়ে নেয়, যেখানে ইউজাররের ডাটা কতটুকু সিকিউর তা আমাদের জানা নেই, ইনহাউজ সাপোর্ট টিম রাখা অনেক কস্টলি হয়ে যায় তাই এই ধরণের ব্যবস্থা।

কিন্তু আইটি নাট হোস্টিং এর নিজস্ব ইনহাউস সাপোর্ট টিম রয়েছে, যাদের দ্বারা ২৪/৭ লাইভ সাপোর্ট দেওয়া হয় এমনকি ঈদের দিনেও বাদ থাকেনা। এছাড়া এক্সপার্ট সাপোর্ট এজেন্ট গড়ে তোলার জন্য IT Nut Hosting বিভিন্ন সময় ফ্রি ট্রেনিং, কোর্স ইত্যাদির ব্যবস্থা করে থাকে। প্রতি মাসে ট্রেনিং বাবদ এবং সাপোর্ট এজেন্ট টিমের স্যালারি বাবদ ভালো পরিমাণ টাকা ব্যায় করতে হয়, তাই অনান্য হোস্টিং কোম্পানী যারা ২৪/৭ সাপোর্ট প্রোভাইড করে না তাঁদের মতো কম প্রাইজে সার্ভিস সেল করা সম্ভব হয়না।

ইউজার রিসোর্স: আপনি যদি বাংলাদেশের হোস্টিং প্রোভাইডারের ব্লগ,নলেজবেশ, ইউটিউব, গ্রুপ ইত্যাদি  প্ল্যাটফর্ম যাচাই করে দেখেন, তাহলে সেখানে দেখতে পারবেন ইউজারকে এক্সপার্ট বানানোর জন্য তাঁরা তেমন কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না। ইউজারদের জন্য ইনফো পোর্স্ট করছে না, বিভিন্ন প্রবলেমের সলিউশন নিয়ে  ইউজারের সার্ভিস সম্পর্কিত জ্ঞান বৃদ্ধির জন্য  নলেজবেজ তৈরি করছে না, কোন ভিডিও ক্রিয়েট করছে না, ইউজারের থেকে ফিডব্যাক নিয়ে সার্ভিস ইম্প্রুভ করতে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না, কোন ধরণের টিপস ইউজারের সাথে শেয়ার করছে না।  

কিছু কিছু প্রোভাইডার ব্লগে ইনফো আর্টিকেল পাবলিশ করে রেখেছে তবে তাঁর সংখ্যা খুবই কম ভিডিও ক্রিয়েশনেও একই অবস্থা। একজন ইউজাকে যদি শুধুমাত্র সার্ভিসের মধ্যেই সিমাবদ্ধ থাকতে হয় তাহলে বিষয়টা কেমন দেখায়? অবশ্যই ক্লায়েন্টদের সাথে বিভিন্ন টিপস,রিসোর্স শেয়ার করা উচিত, তাঁদের ইউজার এক্সপিরেয়েন্স উন্নত করা উচিত। কিন্তু দুঃখের কথা হচ্ছে, দেশীয় প্রোভাইডারদের ভেতর এই কালচার দেখা যায় না।

মোট কথা কনটেন্ট ক্রিয়েশনে কোন প্রকার অর্থ ব্যায় করছে না তাঁরা, যার ফলে অনেক টাকা এখানে সেভিংস হচ্ছে। আপনাকে একবার IT Nut Hosting এর বাংলা – ইংরেজী উভয়  ব্লগ সেকশন, নজেলবেজ সেকশন, মিডিয়াম, কোরা, ফেসবুক গ্রুপ, Youtube Channel ইত্যাদি প্ল্যাটফর্মে ভিজিট করার আমন্ত্রণ রইল। 

আইটি নাট হোস্টিং প্রতিনিয়ত এইসব প্লাটফর্মে ইনফো পোস্ট, ভিডিও, বিভিন্ন ধরণের টিপস শেয়ার করে যাচ্ছে। যার ফলে কনটেন্ট ডেভেলোপমেন্ট এর জন্য ডেডিকেইটেড ইনহাউস টীম  রাখতে হচ্ছে এবং তাঁদের পিছে মান্থলি স্যালারি গুণতে হচ্ছে এছাড়া বর্তমান সময়ে কনটেন্ট ক্রিয়েশন কত ব্যায় বহুল তা আমাদের সবারই জানা আছে।

এইসব সুবিধা যেহুতু অনান্য প্রোভাইডাররা দিচ্ছে না তাই তারা কম দামে সার্ভিস দিতে পারছে, আইটি নাট দিতে পারছে না। কারণ অন্যরা যেখানে চিন্তা করে, সাপোর্টের ব্যবস্থা তো আছেই তাহলে রিসোর্সের কি প্রয়োজন? IT Nut  Hosting সেখানে বিশ্বাস করে যদি ইউজারকে আগে থেকেই সব রিসোর্স প্রদান করে এক্সপার্ট বানিয়ে দেওয়া হয় তাহলে সাপোর্টে নক দেবার কি প্রয়োজন?

অফিস: আমাদের দেশের কিছু প্রোভাইডার আছে যারা সারাদিন নিজেদের দেশের সেরা সার্ভিস বলে দাবি করে, অথচ আপনি যদি একটু খোঁজ নিয়ে দেখেন তাহলে দেখবেন তাঁদের নিজস্ব কোন অফিস নেই, কেউ কেউ বাসা থেকেই সার্ভিস দিচ্ছে আবার কেউ আছে ফ্রিলান্সিং করে হাতে কিছু ক্লায়েন্ট আছে এই সুযোগে তাঁদের কাছে সার্ভিস সেল করার জন্য নিজেই হোস্টিং কোম্পানী খুলে বসেছে। 

যেহুতু অফিস নেই, টীম নেই, তাই অফিস ভাড়া দিতে হচ্ছে না, টীমে কেউ না থাকাই কাউকে স্যালারি দিতে হচ্ছে না। কিন্তু আইটি নাট হোস্টিং এর একটি সুন্দর অফিস রয়েছে, মাস শেষে সেই অফিস বাবদ টাকা গুণতে হচ্ছে, তাই এখানেও বড় ধরণের এমাউন্ট খরচ হচ্ছে, আর এইজন্যই অন্য প্রোভাইডারদের মতো কমে সার্ভিস দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

প্যাকেজ: যারা বলে আইটি নাট হোস্টিং এর প্রাইজ বেশি তাঁদের উদ্দেশ্য বলি, আপনি যদি অনান্য কোম্পানীর প্যাকেজ এবং আইটি নাট হোস্টিং এর প্যাকেজ দেখেন তাহলে লক্ষ্য করবেন অনান্য বেশির ভাগ কোম্পানীই প্রত্যেকটা সার্ভিসে অনেকগুলো করে প্যাকেজ রাখছে, ৫০০ এমবির  বা ১ জিবির প্যাকেজ দিয়ে শুরু করে নানান ভ্যারিয়েন্ট এর প্যাকেজ রেখেছে। আবার অনেক কোম্পানী আছে তাঁরা আনলিমিটেড স্টোরেজ এর কোন প্যাকেজ রাখছে না।

অথচ আইটি নাট হোস্টিং এর প্রত্যেকটা সার্ভিসে প্যাকেজ রয়েছে মাত্র ৩ টা করে এবং ব্যাসিক প্যাকেজ ই শুরু হয়েছে ১০ জিবি স্টোরেজ দিয়ে, এডভান্স প্যাকেজে রয়েছে আনলিমিটেড স্টোরেজ। ভিজিটর ওয়েবসাইটে ভিজিট করলে প্রথমেই চোখে পড়ে প্রাইজিং, অথচ ফিচারস কি কি দেওয়া আছে তা কখনোই ভালোভাবে কম্পেয়ার করে দেখেনা। 

কিন্তু এখানেই যে বড় ধরণের চালাকি লুকানো আছে তা একজন সাধারণ ইউজার কখনোই বুঝতে পারেনা। আপনি দেখবেন অনান্য সব হোস্টিং প্রোভাইডার যারা কম স্টোরেজ এর প্যাকেজ দিচ্ছে তাঁরা শুরুতে কাস্টোমার ধরার জন্য এমন প্যাকেজ দিলেও কিছু দিন পর যখনই ওয়েবসাইট বড় হচ্ছে নানান ধরণের সমস্যা দেখা দিচ্ছে তখন একপ্রকার বাধ্য করিয়ে দামী প্যাকেজে আপগ্রেড করিয়ে নিচ্ছে। 

যারা বলেন আইটি নাট হোস্টিং এর প্রাইজ বেশি তাঁদের কাছে প্রশ্ন: আচ্ছা ৫০০ এমবির প্যাকেজ সাথে লিমিটেড ফিচারর্স যদি বাৎসরিক ১২০০-১৫০০ টাকা হয়, তাহলে ১০ জিবির প্যাকেজ বাৎসরিক ২৮০০-৩৫৮৮ টাকা সাথে আনলিমিটেড ফিচারর্স কিভাবে দামী হয়ে থাকে?  আইটি নাট হোস্টিং এর প্রাইজ কখনোই বেশি না, বরং IT Nut Hosting এর প্রাইজ সব সময় এফোরডেবল।

সব শেষে কিছু কথা বলতে চাই, IT Nut Hosting তাঁর জন্মলগ্ন থেকেই ট্রেডিশনাল রীতি ছেড়ে ভিন্ন পথ অনুসরণ করেছে, যার ফলে দেখা যায় দেশীয় অন্য সব সস্তা প্রোভাইডারের সাথে IT Nut এর অনেক অংশেই মিল নেই, মিল হবেও না। একটা সাধারণ জিনিস চিন্তা করলেই হয়, এত কমদামে অন্যরা কিভাবে সার্ভিস দিয়ে থাকে? কোন প্রোভাইডার নিশ্চয় তাঁর পকেট থেকে টাকা দিয়ে সার্ভিস দেয়না? কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে  ফিচারর্স সেম, প্রাইজ কম বেশি হয় কেন? তাহলে রহস্য কোথায়? 

রহস্য চোখের সামনেই,  Apple এর ফোনেও ১২ মেগা পিক্সেল ক্যামেরা হয়, আবার Symphony এর ফোনেও ১২ মেগা পিক্সেল ক্যামেরা হয়, কিন্তু দুইটার পারফরমেন্স কি সমপরিমাণ হয়? 

Leave a Comment