You are currently viewing সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কি? উৎপত্তি এবং ইতিহাস

ধরুন আপনি একজন লাইব্রেরিয়ান, কোন সাধারণ লাইব্রেরির লাইব্রেরিয়ান নয়, সারা বিশ্বের সমস্ত বই এর লাইব্রেরিয়ান। আপনার কাছে জমা আছে পৃথিবীর সমস্ত বই। 

পৃথিবীর সকল মানুষের নিজেদের পছন্দ মত বই এর প্রয়োজন, তারা জানে সমস্ত বই এর সংগ্রহ আপনার নিকট আছে। তাই তারা আপনার নিকট তাদের পছন্দমত বই এর জন্য এসেছে। একজন লাইব্রেরিয়ান হিসেবে আপনি কি করবেন? কিভাবে এত বই সাজিয়ে রাখবেন? যাতে সহজে আপনি কোথায় কোন বই রেখেছেন খুঁজে পাবেন?  এর জন্য একটা সিস্টেম/ নিয়ম দরকার, রাইট? 

হ্যাঁ, এই সিস্টেম বা নিয়ম গুলোই সার্চ ইঞ্জিন (যেমন গুগল, বিং ইত্যাদি) তৈরি করে থাকে। এই সার্চ ইঞ্জিন গুলোই ইন্টারনেটের লাইব্রেরিয়ান। তারা সমস্ত ডাটা গুলোকে এমন ভাবে সাজিয়ে রাখে যেন পরবর্তীতে সহজে খুঁজে পায়। প্রত্যেক সার্চ ইঞ্জিনের একটি নিজস্ব রুলর্স রয়েছে, যাকে বলা হয় এলগরিদম। এই এলগরিদমের মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিনগুলো তাদের সমস্ত ডাটা সংগ্রহ করে থাকে। 

আপনি যদি একজন ওয়েবসাইট ওনার হয়ে থাকেন, তাহলে সার্চ ইঞ্জিনে আপনার রেজাল্ট শো-করানো একটা বিশাল ব্যাপার। প্রত্যেক ওয়েবসাইট ওনার চান যে, তাদের ওয়েবসাইট গুগলে র‍্যাঙ্ক করুক। কারণ গুগলে যত উপরে র‍্যাঙ্ক করা যায় তত বেশি পরিমানে ভিজিটর আসার সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু গুগল তো আপনাকে আর এমনি এমনি সার্চ ইঞ্জিনের উপরের অংশে দেখাবে না, তাই না? গুগল আপনার ওয়েবসাইট তখনই দেখাবে, যখন সে মনে করবে আপনার ওয়েবসাইটে যে সকল উপাদান রয়েছে সেটি তাদের রেসিপির জন্য প্রয়োজন। মানে হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইটে রিসোর্স থাকতে হবে। যার উপাদান সংখ্যা ভালো হবে, তাকে গুগল সবার আগে প্রাধান্য দিবে। আর এটিকেই বলে থাকে এসইও বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কি?

ওয়েবসাইটে অর্গানিক সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্টের মাধ্যমে ট্রাফিকের মান এবং পরিমান বৃদ্ধির অনুশীলনই হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন।

-Moz.com/ Wikipedia/ ahrefs/ backlinko 

রিলিভেন্ট সার্চে ভিজিবলিটি বাড়ানোর জন্য আপনার ওয়েবসাইটের উন্নতি সাধন করাই হচ্ছে এসইও।

search engine land

এসইও হচ্ছে ওয়েবসাইট অপটিমাইজ করার একটি পদ্ধতি, ওয়েবসাইট এবং কন্টেন্ট উভয়ই, যাতে করে অর্গানিক মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিন গুলোতে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে দেখা যায় আপনার ওয়েবসাইটটি। 

search engine journal

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন নিয়ে সবচেয়ে বেশি কাজ করা প্রতিষ্ঠান হচ্ছে এরা সবাই। মজ, এরেফস, ব্যাকলিংকো, সার্চ ইঞ্জিন জার্নাল, সার্চ ইঞ্জিন ল্যান্ড এরা সবাই গবেষণা করে থাকে এসইও কিভাবে কাজ করে তা নিয়। এদের সকলের নিজস্ব ব্লগে শুধুমাত্র এসইও রিলেটেড পোস্ট করে থাকে। 

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের ইতিহাস

কিছু কন্টেন্ট রাইটার এবং ওয়েবমাস্টার ( এখানে বোঝানো হচ্ছে যারা ওয়েবসাইট মেনটেইন করে থাকে তাদের) ১৯৯০ এর মাঝা মাঝি সময় থেকে কিছু ওয়েবসাইট সার্চ ইঞ্জিনের জন্য অপটিমাইজ করা শুরু করেছিলো বলে ধারণা করা যায়। যদিও এখন কার সময়ের মত এসইও করতে তাদের এত বেগ পেতে হ’তো না। তখনকার সময় ওয়েবমাস্টারদের শুধু তাদের ওয়েবসাইটের এড্রেস এবং কোন স্পেসিফিক ওয়েব পেইজ অপটিমাইজ করতে চায় শুধু তা সাবমিট করে দিলেই হয়ে যেত। 

এর পর ঐ সমস্ত সার্চ ইঞ্জিন গুলোর ওয়েব ক্রলার – ক্রল করা শুরু করতো। তখনও এই সকল ক্রলার লিংক গুলো আলাদা করে স্টোর করে রাখতো। এর পর সার্চ ইঞ্জিন গুলো ক্রল শেষে, প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে সবগুলো তাদের নিজস্ব ইনডেক্সে ইনডেক্স করে রাখতো। তখন সার্চ ইঞ্জিন গুলো মূলত নজরে রাখতো কতটি ওয়ার্ড রয়েছে আপনার কন্টেন্টে, কোথা থেকে আপনার কন্টেন্ট আপলোড করা হয়েছিলো (লোকেশন), স্পেসিফিক ওয়ার্ড সংখ্যা কত, এবং ওয়েব পেইজে কত সংখ্যক লিংক সংযুক্ত করা আছে, এই সমস্ত তথ্য। 

নব্বই এর দশকে ওয়েব সাইট ওনাররা বুঝতে পেরেছিলেন সার্চ ইঞ্জিনের কতটা ভ্যালু রয়েছে। তাদের ওয়েব সাইটে ভিজিটর আনার ভবিষ্যত এটিই হ’তে যাচ্ছিলো তা’ সে সময় কিছু ব্যাক্তি বুঝতে পেরেছিলেন। তাই তারা সৃষ্টি করেছিলেন হোয়াটি হ্যাট এবং ব্ল্যাক হ্যাট এসইও। ড্যানি সালিভান, আমেরিকান টেকনলজিস্ট জার্নালিস্ট, এর ধারণা মতে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শব্দটি প্রথম ব্যবহারে আসে ১৯৯৭ সনের দিকে। তার মতে এসইও কে জনপ্রিয় করার পেছনের ব্যক্তিত্ব হচ্ছেন ‘ব্রুস ক্লে’। 

তখনকার সময় সবচেয়ে জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিনগুলো ছিলো আলভিস্তা এবং ইনফসিক। আলভিস্তা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো ১৯৯৫ সালের দিকে আর ইনফসিক এর জন্ম হয়েছিলো তারও একবছর আগে- অর্থাৎ ১৯৯৪ এর সময় স্টিভ কিররছ এর হাত ধরে। 

সার্চ ইঞ্জিন কিভাবে কাজ করে? 

প্রত্যেক সার্চ ইঞ্জিনের এক একটি নিজস্ব এলগরিদম রয়েছে। আপনি কিংবা আমরা কেউ এই সকল সার্চ ইঞ্জিনের এলগরিদম লিখে শেষ করতে পারবো না, কারন এদের মিলিয়ন মিলিয়ন এলগরিদম রয়েছে সার্চ ইঞ্জিনে কিভাবে সবচেয়ে ভালো পোস্ট র‍্যাংক করা যাবে তার জন্য।  আমরা যেটুকু করতে পারি তা হচ্ছে-  আমরা সর্বোচ্চ দেখতে পারি গুগল কি কি কাজ করে কারো ওয়েবসাইট র‍্যাঙ্ক করানোর জন্য। 

গুগল থেকে পাওয়া তাদের সরাসরি তথ্য- ‘সার্চ ইঞ্জিন কিভাবে কাজ করে’ 

To give you the most useful information, Search algorithms look at many factors, including the words of your query, relevance and usability of pages, expertise of sources and your location and settings. The weight applied to each factor varies depending on the nature of your query – for example, the freshness of the content plays a bigger role in answering queries about current news topics than it does about dictionary definitions.

ব্যবহারকারীকে সবচেয়ে কার্যকরী তথ্য সংগ্রহ করে দিতে সার্চ এলগরিদম অনেক রকম ফ্যাক্টরস গুলোর দিকে নজর দিয়ে থাকে যেমন- ওয়ার্ডের সংখ্যা, পেইজের ইউজেবিলিটি এবং রিলিভেন্সির ধরণ দেখে, সোর্স গুলোর ধরন বা রিলাবলিটি, লোকেশন এবং সেটিংস ইত্যাদির উপর। এই এলগরিদম গুলো আবার পরিবর্তন হওয়ারও বেশ সুযোগ আছে তবে সেটি নির্ভর করে আপনার সার্চ এর ধরন অনুসারে। যেমন উদাহারণ স্বরুপ বলা যায়- বিশেষ করে ‘কারেন্ট নিউজ’ এর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি কার্যকর ভূমিকা রাখে সাম্প্রতিক আপডেট হওয়া বা রিসেন্ট আপলোড করা কন্টেন, ডিকশনারি ডেফিনেশনের তুলনায়।

গুগল বলে থাকে যে- তাদের সার্চ ইঞ্জিন এই জিনিসটি সবচেয়ে বেশি অনুসরন করে থাকে – অন্তত ওয়েব সার্চের জন্য হলেও। কারন গুগলের এলগরিদম সবচেয়ে বেশি নির্ভর যোগ্য এখনো অবধি। গুগল ছাড়াও অনেক অনেক সার্চ ইঞ্জিন রয়েছে। তবে গুগলকে সবাই বেশি নির্ভরযোগ্য মনে করে থাকে। 

সার্চ ইঞ্জিন ট্র্যাফিক কী? 

সার্চ ইঞ্জিন গুলোতে সার্চ করার পর যে সকল রেজাল্ট আসে, ঐ সকল রেজাল্টে ক্লিক করে কোন ওয়েবসাইটে প্রবেশকেই সার্চ ইঞ্জিন ট্র্যাফিক বলে থাকে। অর্থাৎ একটি ক্লিক করলে একটি ভিজিটর, একাধিক ক্লিক করলে একাধিক ভিজিটর বা একাধিক ট্র্যাফিক।

ট্র্যাফিক শব্দটা শুনলে সবার মাথায় আরেকটি শব্দ এসে ঢুঁ মারে। আর তা হচ্ছে জ্যাম শব্দটা। ট্র্যাফিক জ্যাম শব্দটা ছোট বেলায় কেউ শুনেনি এমন লোকের সংখ্যা খুবই কম। এই প্রসংজ্ঞ নিয়ে আসার ও কারন আছে। ট্র্যাফিক জ্যাম শুধু রিয়েল লাইফে হয় না,  অনলাইনেও হয়ে থাকে। এই অনলাইনে ট্র্যাফিক জ্যামের কারনে সার্ভার ডাউন হয়ে থাকে, যেমনটি হয়ে থাকে আমাদের দেশে পাবলিক পরিক্ষা গুলোর রেজাল্ট দেওয়ার সময়। সবাই দুপুরের দিকে ঢুঁ মারেন, আর সার্ভার ডাউন হয়ে যায়। অবশ্য সার্ভার ডাউন হওয়ার আরো বেশ কারণ আছে। অনেক গুলো কারণের মাঝে এটিও একটি। 

কেন সবাই ওয়েবসাইটে এসইও করতে চায়?

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন একটি নির্ভর যোগ্য অডিয়েন্স কালেক্ট করার স্থান। যেখানে একবার যদি কেউ সুযোগ পেয়ে যায়, তাহলে অনেকদিন পর্যন্ত তাদের ওয়েবসাইটে অডিয়েন্স আসতে থাকে। আর এই পুরো পদ্ধতিটাই ফ্রি। তাই সকল ওয়েবসাইট ওনারদের সম্পুর্ন ওয়েবসাইট বিল্ড করার পর তাদের প্রথম লক্ষ্য থাকে কিভাবে তারা ওয়েবসাইটের এসইও করবে সেট নিয়ে। 

এছাড়া আরো কিছু উল্লেখ যোগ্য কারণ আছে। সেগুলো হ’লো-

ফ্রি ট্রাফিক 

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের সব চেয়ে বড় সুবিধা হ’লো এটি থেকে ফ্রি’তে ট্রাফিক পাওয়া যায়। একবার যদি সার্চ ইঞ্জিনগুলোকে বোঝাতে পারেন যে- তাদের রেসিপির জন্য সে সকল উপাদান প্রয়োজন, তা আপনার ওয়েবসাইটে আছে, তাহলে গুগল সরাসরি আপনার নিকট ট্রাফিক পাঠাবে কোন রকম চার্জ ছাড়া। এক্ষেত্রে আপনাকে ব্যয় করতে হবে সময় এবং ওয়েবসাইটকে গুগল বা সার্চ ইঞ্জিন গুলো যেমন চায় তেমন করে গড়ে তুলতে হবে। অর্থাৎ আপনি যদি এসইও জানেন বা কিভাবে ওয়েবসাইট অপটিমাইজ করতে হয় তা জানেন তাহলে আপনার ওয়েবসাইটে সরাসরি গুগল থেকে ট্রাফিক নিয়ে আসতে পারবেন। কোন রকম খরচ ছাড়াই। এসইও ছাড়া বাদবাকি যত রকম ডিজিটাল মার্কেটিং পদ্ধতি রয়েছে সব গুলো পেইড। 

ট্রাফিক একবার আসা শুরু করলে অনেকদিন পর্যন্ত স্থায়ী হয় 

আপনি যদি আপনার ওয়েবসাইটের বুস্ট করিয়ে থাকেন তখন দেখবেন যতদিন আপনি আপনার ক্যাম্পেইন রান করাচ্ছেন ততদিন পর্যন্ত অডিয়েন্স আসবে। এর বেশি কিন্তু খুব একটা বেশি আসে না, যদি না তাদের একান্ত কোন প্রয়োজন হয়। 

এখন এসইও এর সুবিধা হচ্ছে, যদি আপনি আপনার কন্টেন্ট এবং ওয়েবসাইট দু’টোকে সুন্দর করে অপটিমাইজ করতে পারেন তাহলে সার্চ ইঞ্জিন গুলো থেকে আপনি যে ট্রাফিক পাবেন তা একদম পিউর, অনেকদিন পর্যন্ত স্থায়ী হবে। এতে করে সার্চ ইঞ্জিন গুলোতে আপনার ওয়েবসাইটের প্রাধান্য বৃদ্ধি পাবে। 

সরাসরি গুগল ব্যবহারকারী অডিয়েন্স পাওয়া যায় 

ডিজিটাল মার্কেটিং এ অডিয়েন্স একটি বিশাল ব্যপার। এই অডিয়েন্স যদি উল্টা-পাল্টা হয় তাহলে আপনার ক্যাম্পেইন সাকসেসফুল হবে না। আমি মেইন পয়েন্টে আসছি- তার আগে একটু বলে নেই। ফেসবুকে অনেকেই অ্যাড রান করিয়েছেন বা করবেন, তখন একটি ব্যাপার লক্ষ্য করে থাকবেন- আপনি চাইলে মানুষের ইন্টারেস্ট অনুযায়ী অডিয়েন্স টার্গেট করে দিতে পারবেন। যেমন ধরুন- কারো পছন্দ মিউজিক। আপনি ইন্টারেস্টে মিউজিক সিলেক্ট করে দিয়ে মিউজিক রিলেটেড পোস্ট দিলে সেটি টার্গেটেড অডিয়েন্সের নিকট পৌঁছাবে। ধরুন আপনি স্পটিফাই প্রিমিয়াম বিক্রি করবেন। তাহলে তখন দেখবেন আপনার ক্যাম্পেইনটি সাকসেসফুল হবে এবং আপনি যাদেরকে চাচ্ছেন তাদের কাছে রিচ করতে পারবেন। 

বলতে চেষ্টা করছি, অডিয়েন্স ডাজ ম্যাটার। অডিয়েন্স কেমন হবে তার উপর নির্ভর করছে সবকিছু। এখন ধরুন কেউ পছন্দ করে মিউজিক। আপনি ইন্টারেস্টে টার্গেট করলেন যারা ফুটবল খেলে তাদের। ফলাফল আপনার ক্যাম্পেইন সাক্সেসফুল হবে না। কারন আপনি আপনার টার্গেটেড অডিয়েন্সের নিকট রিচ করতে পারবেন না। মিউজিক অ্যাডে আসবে ফুটবল ইন্টারেস্টেড অডিয়েন্স। 

এটি গেল পেইড ক্যাম্পেইন। যেখানে আপনি চাইলে আপনার আলমোস্ট অডিয়েন্স সিলেক্ট করে দিতে পারবেন। কিন্তু এসইওর ক্ষেত্রে আপনার আলাদা করে অডিয়েন্স সিলেক্ট করে দিতে হবে না। কারণ সার্চ ইঞ্জিন গুলো জানে কোন ধরনের অডিয়েন্স আপনাকে পাঠাতে হবে। তাদের বুদ্ধিদিপ্ত এলগরিদম সয়ংক্রিয় ভাবে আপনার জন্য অডিয়েন্স পাঠাবে। 

এই ধরনের অডিয়েন্স কারা?

ধরুন কেউ সরাসরি ‘স্পটিফাই’ কী সেটা জানতে চাচ্ছে। যখন সে সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করবে, তখন সার্চ ইঞ্জিন গুলো তাকে স্পটিফাই রিলেটেড পোস্ট দেখাবে। তার মানে সে এক্সাক্টলি স্পটিফাই খুঁজছে। যদি আপনার ওয়েবসাইট স্পটিফাই রিলেটেড কি-ওয়ার্ডের জন্য উপাদান থাকে তাহলে গুগল আপনাকে তাদের রেসিপির অংশ করে নিবে। ফলাফল হিসেবে গুগল আপনাকে প্রথমে র‍্যাঙ্ক করাবে। আর যে ব্যক্তি স্পটিফাই সার্চ করবে, নিশ্চই তার স্পটিফাই দরকার আর কিছু না। যখন সে আপনার পোস্ট গুগলে প্রথমে দেখবে এবং তখন সে আপনার অডিয়েন্স/ভিজিটর হয়ে যাবে। তাহলে আপনার অডিয়েন্স গুলো যথেষ্ট মান সম্মত হচ্ছে। টার্গেটেড কি-ওয়ার্ডের বাইরে কোন ধরনের অডিয়েন্স আসছে না। 

এখন যদি আপনি স্পটিফাই প্রিমিয়াম বিক্রি করতে চান, তাহলে খুব সফলতার সহিত বিক্রি করতে পারবেন। কারণ সার্চ ইঞ্জিন থেকে পাওয়া ভিজিটর টার্গেটের বাইরের কেউ হয় না। যা হয়ে থাকে- সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে। সেখানে ইন্টারেস্ট এর বাইরেও লোকজন আপনার ভিজিটর হয়ে যায়। যা আসলে ফলপ্রসু হয় না। তাই সবচেয়ে ভালো মানের অডিয়েন্স/ভিজিটর পেতে সার্চ ইঞ্জিন গুলোর বিকল্প নেই। 

Leave a Comment