You are currently viewing শেয়ারর্ড হোস্টিং এর সুবিধা কি? অসুবিধা কি?

ওয়েবসাইট শুরু করার জন্য শেয়ারর্ড হোস্টিং সবথেকে বেশি জনপ্রিয়। তবে শেয়ারর্ড হোস্টিং দিয়ে ওয়েবসাইট শুরু করার আগে এর সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা রাখা উচিত, কেননা শেয়ারর্ড হোস্টিং এ যেমন সুবিধা রয়েছে তেমনি কিছু অসুবিধাও রয়েছে। তো চলুন শেয়ারর্ড হোস্টিং এর সুবিধা অসুবিধাগুলো জেনে নেওয়া যাক।

শেয়ারর্ড হোস্টিং এর সুবিধা কি? 

Shared Hosting ব্যাবহার করার বেশ কয়েকটি সুবিধা আছে। নিচে পর্যায়ক্রমে তা বর্ণনা করা হলো। 

কম মূল্য- সাধারণত অনান্য হোস্টিং প্যাকেজ গুলো মোটামুটি দামি হয়ে থাকে। যত বেশি ফিচার অ্যাড করা হয় তার মূল্য তত বেশি বাড়তে থাকে। তবে অন্যান্য প্যাকেজের তুলনায় Shared Hosting এর মূল্য অপেক্ষাকৃত কম হয়ে থাকে। দাম কম হওয়ার পেছনে অবশ্য কিছু কারণ আছে।

যেমন আমরা আগেই জেনেছি Shared Hosting প্যাকেজে একই সার্ভার ইউজাররা একসাথে মিলে ইউজ করে। যার কারণে একসাথে অনেকগুলো ইউজার হ্যান্ডেল করা সম্ভব হয়। এতে আলাদা মেইটেনেন্স এর প্রয়োজন পড়ে না। পার্সোনাল ওয়েবসাইট বা স্মল বিজনেসের জন্য এধরনের প্যাকেজ সবথেকে বেশি উপযুক্ত। কারণ এধরনের ওয়েবসাইটে অনেক কম সংখ্যক ভিজিটর আসে এবং ওয়েবসাইট তেমন বড় কোন ফাইল থাকে না।  

টেকনিক্যাল জ্ঞান এর প্রয়োজন নেই- একটি সার্ভার সঠিকভাবে কনফিগার করতে গেলে টেকনিক্যাল জ্ঞানের প্রয়োজন পড়ে। কারণ সঠিক ভাবে কনফিগার না করলে ওয়েবসাইটে অনেক ধরনের এরর শো করে। যা ওয়েবসাইটকে সঠিকভাবে ভিজিটরের কাছে সার্ভিস দিতে বাঁধা তৈরি করে।  কিন্তু শেয়ারর্ড হোস্টিং এর ক্ষেত্রে খুব বেশি টেকনিক্যাল জ্ঞানের প্রয়োজন নেই।

সহজে ম্যানেজ করা যায়- শেয়ারর্ড হোস্টিং ম্যানেজ করা অনেক সহজ। এখানে কোন ধরনের জটিল কোন বিষয় থাকেনা। বিশেষ করে কন্ট্রোল প্যানেল গুলো সম্পর্কে আপনার ধারনা থাকলেই সহজেই শেয়ারর্ড হোস্টিং ম্যানেজ করতে পারবেন। 

বিশেষ করে cPanel সম্পর্কে ভালো ধারনা রাখলে অন্যান্য প্যানেল নিয়ে আর সমস্যায় পরতে হবে না। কারণ অন্যান্য প্যানেলে ডিজাইন আলাদা আলাদা হলেও মুল কাজ একই। সেখান থেকে আপনি ইমেইল, ফাইল ম্যানেজার, সফটওয়্যার ম্যানেজার, অ্যাডঅন ডোমেইন অ্যাড করা সহ অন্যান্য সকল ধরনের অপশন পাবেন।  যার ফলে আপনাকে আলাদা আলাদা জায়গায় গিয়ে আলাদা ভাবে সব অপশন খুঁজে পেতে হবে না। এক জায়গা থেকেই আপনার ওয়েবসাইট সেটআপ করা থেকে ম্যানেজ করতে পারবেন। 

ব্যবহার করা সহজ- শেয়ারর্ড হোস্টিং ব্যবহার করার জন্য কোন ঝামেলা পোহাতে হয়না। আপনি যে প্রতিষ্ঠান থেকে হোস্টিং কিনবেন তাদের ওয়েবসাইট থেকে আপনার পছন্দের প্যাকেজ সিলেক্ট করে পেমেন্ট করে দিলেই হয়ে যাবে। 

তারপর তারা আপনার ইমেইলে হোস্টিং ম্যানেজ করার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য পাঠিয়ে দিবে। এরপর উক্ত প্যানেলে লগইন করলেই আপনার হোস্টিং ড্যাশবোর্ড সামনে পেয়ে যাবেন। সেখানে আপনার ওয়েবসাইট অ্যাড করে নিলেই অটোমেটিক সব কাজ শুরু হয়ে যাবে। 

শেয়ারর্ড হোস্টিং এর অসুবিধা কি?

শেয়ারর্ড হোস্টিং এর যেমন সুবিধা আছে তেমনি এর কিছু অসুবিধাও আছে। চলুন সেগুলো জেনে নেই। 

লিমিটেড ফিচারর্স- যেহুতু শেয়ারর্ড হোস্টিং এ একই সাথে অনেক ওয়েবসাইট হোস্ট করা থাকে, তাই সকল ইউজারের সিকিউরিটির কথা বিবেচণা করে কিছু কিছু ফিচারর্সের এক্সসেস ইউজারকে দেওয়া হয়না। তবে সাধারণত ডে টু ডে কাজের জন্য যা যা এক্সসেস প্রয়োজন তা সবই দেওয়া হয়ে থাকে।

স্লো স্পীড- সাধারণত অনান্য হোস্টিং এর তুলনায় শেয়ারর্ড হোস্টিং অনেক স্লো হয়ে থাকে, কেননা এর দাম কম হবার কারণে ডেডিকেটেড হোস্টিং এর তুলনায়  রিসোর্স অনেক কম থাকে যার কারণে ভিপিএস বা ডেডিকেটেড হোস্টিং এর তুলনায় শেয়ারর্ড হোস্টিং কিছুটা স্লো হয়ে তাকে, তবে একটি নতুন ওয়েবসাইটের জন্য পারফেক্ট।

Leave a Comment